শিরোনাম:
নরসিংদী জেলা পুলিশের যৌথ অভিযান: গ্রেফতার ১, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার রায়পুরা থানা বার্ষিক পরিদর্শন করলেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার শিক্ষা প্রসারে জাহিদুল কবির ভূইয়ার উদ্যোগ, বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রিন্টার প্রদান” শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক নরসিংদীর প্রতিটি জনপদ, দূর হোক সকল অন্ধকার গোপালগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন  গোপালগঞ্জ “পেপার জামিল” হাসিমুখের আড়ালে ৩০বছরের নীরব যুদ্ধ গোপালগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “(ক্রাইম এন্ড অপস্) এর বদলী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত” নরসিংদীতে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক নরসিংদীতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদকসহ গ্রেফতার ১২ নরসিংদীতে তিন দিনব্যাপী ফল মেলা ও ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন

মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, রায়পুরায় দুই বাড়িতে ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
প্রকাশকাল : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

নরসিংদীর রায়পুরা পৌর শহরের মহিষমারা এলাকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুই ব্যক্তির বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মহিষমারা এলাকায় একটি মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সভা শেষে বিপুলসংখ্যক মানুষ মাদকবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে স্থানীয়ভাবে মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়ার বাড়ির দিকে অগ্রসর হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা জুয়েল মিয়ার একটি চৌচালা টিনের ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। একই সময় বাদল মিয়ার একটি দোচালা টিনের ঘরেও ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সভা শেষে প্রশাসনের লোকজন চলে যাওয়ার পর প্রায় এক হাজার মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। অনেকের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। তারা মাদকবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে প্রথমে ভাঙচুর চালায় এবং পরে একটি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে।

কয়েকজনের দাবি, জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার তরুণ সমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মাদক কারবারিদের কোনো আস্তানা এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না বলে তারা জানান।

তবে অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আমি মাদকের বিরুদ্ধে, কিন্তু কারও সম্পত্তি নষ্ট করার পক্ষে নই। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মাদক কারবারিদের বিষয়ে জনগণ তথ্য দিতে পারে অথবা তাদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই কারও সম্পত্তি ধ্বংস করার অধিকার কারও নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category